
লালন শাহ সেতু (আনুষ্ঠানিকভাবে লালন শাহ সেতু) পাকশীর কাছে পদ্মা নদীর উপর একটি আধুনিক সড়ক সেতু যা কুষ্টিয়া জেলাকে পাবনার সাথে সংযুক্ত করেছে।
মহান বাউল সাধক ফকির লালন শাহের নামে নামকরণ করা, সেতুটি দক্ষিণ-পশ্চিম বাংলাদেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবহন সংযোগ এবং চমৎকার নদীর দৃশ্য উপভোগ করতে আসা দর্শনার্থীদের জন্য একটি জনপ্রিয় স্থান।
২০০৪ সালে সম্পন্ন, লালন শাহ সেতু ১.৮ কিলোমিটার দীর্ঘ — পুরানো হার্ডিঞ্জ ব্রিজের সমান্তরালে চলে যা মাত্র কয়েকশো মিটার দূরে।
হার্ডিঞ্জ ব্রিজ রেলপথ বহন করলেও এই সেতু কুষ্টিয়া, ঝিনাইদহ ও দক্ষিণ-পশ্চিম বাংলাদেশকে পাবনা, রাজশাহী ও উত্তরাঞ্চলের সাথে সংযোগকারী প্রধান সড়ক বহন করে।
সেতুটি অঞ্চলের আধুনিক সংযোগের প্রতীক হয়ে উঠেছে।
সেতুটি প্রচলিত অর্থে পর্যটন আকর্ষণ না হলেও বেশ কিছু কারণে দর্শনার্থী আকর্ষণ করে:
বেশিরভাগ দর্শনার্থী লালন শাহ সেতুর সাথে হার্ডিঞ্জ ব্রিজ একসাথে দেখেন কারণ দুটো পাশাপাশি।
দুটো সেতু একসাথে দেখা — একটি ১৯১৫ সালের ও একটি ২০০৪ সালের — প্রায় এক শতাব্দীর বাংলাদেশের অবকাঠামো উন্নয়নের গল্প বলে।
কোনো প্রবেশ ফি নেই।
সেতুটি একটি পাবলিক সড়ক এবং অবাধে প্রবেশযোগ্য।
সেতুটি পাবলিক সড়ক এবং ২৪ ঘন্টা প্রবেশযোগ্য।
দর্শনের জন্য সেরা দৃশ্য পেতে দিনের আলোতে যান।
সূর্যাস্তের সময় সবচেয়ে জনপ্রিয়।
শুধু সেতু দেখলে ৩০ মিনিট থেকে ১ ঘন্টা।
বেশিরভাগ দর্শনার্থী পাশের হার্ডিঞ্জ ব্রিজের সাথে একত্রে দেখেন, তাতে মোট ভ্রমণ ২-৩ ঘন্টা।
সূর্যাস্ত - একদম সেরা সময়।
প্রশস্ত পদ্মা নদী আকাশকে সুন্দরভাবে প্রতিফলিত করে এবং দুটো সেতু অত্যাশ্চর্য ছায়ামূর্তি তৈরি করে।
শীতকাল (নভেম্বর-ফেব্রুয়ারি) - পরিষ্কার আকাশ ও মনোরম আবহাওয়া।
নিচে বালুর তীর দৃশ্য আরও সুন্দর করে।
বর্ষা (জুলাই-সেপ্টেম্বর) - পূর্ণ বন্যায় পদ্মা বিস্ময়কর।
বিশাল, ফুলে ওঠা নদীর উপর সেতু একটি নাটকীয় দৃশ্য।
হার্ডিঞ্জ ব্রিজের মতোই কারণ দুটো একই জায়গায়:
লালন শাহ সেতু পাকশীর কাছে হার্ডিঞ্জ ব্রিজের ঠিক পাশে, কুষ্টিয়া শহর থেকে প্রায় ২৫ কিমি।
কুষ্টিয়া থেকে: সিএনজি অটো-রিকশায় ২০০-৩০০ টাকা (৪০-৫০ মিনিট)।
পাকশী/ঈশ্বরদীগামী লোকাল বাসেও যেতে পারেন (৫০-৮০ টাকা)।
ঢাকা থেকে: পাবনা/রাজশাহী দিক থেকে আসলে সরাসরি লালন শাহ সেতু পার হয়ে আসতে পারেন।
বিকল্পে পাকশী জংশনে ট্রেনে এসে হেঁটে যেতে পারেন।
পরামর্শ: সবসময় হার্ডিঞ্জ ব্রিজের সাথে একত্রে দেখুন — দুটো কার্যত একই জায়গায়।
এখনও কোনও রিভিউ নেই। প্রথম রিভিউ লিখুন!

হার্ডিঞ্জ ব্রিজ বাংলাদেশের সবচেয়ে আইকনিক প্রকৌশল নিদর্শনগুলোর একটি। এই বিশাল ইস্পাত রেলওয়ে সেতুটি কুষ্টিয়া জেলার সীমানায় পাবনার পাকশীর কাছে পদ্মা নদীর উপর দিয়ে গেছে। ১৯১৫ সালে যখন এটি সম্পন্ন হয়, তখন এটি বিশ্বের দীর্ঘতম সেতুগুলোর একটি ছিল। এক শতাব্দীরও বেশি পরে, এটি দেশের সবচেয়ে বেশি ছবি তোলা ও ঐতিহাসিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোর একটি হিসেবে রয়ে গেছে। **ইতিহাস ও নির্মাণ** সেতুটি ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক আমলে ১৯১০ থেকে ১৯১৫ সালের মধ্যে নির্মিত হয়েছিল এবং তৎকালীন ভারতের ভাইসরয় [লর্ড হার্ডিঞ্জ](https://en.wikipedia.org/wiki/Charles_Hardinge,_1st_Baron_Hardinge_of_Penshurst)-এর নামে নামকরণ করা হয়। প্রকল্পটি ছিল একটি বিশাল প্রকৌশল কৃতিত্ব — সেতুটি গভীর কূপ ভিত্তির উপর ১৫টি ইস্পাত স্প্যান নিয়ে পদ্মা নদীর উপর ১.৮ কিলোমিটার (৫,৮৯৪ ফুট) বিস্তৃত। এর নির্মাণে হাজার হাজার শ্রমিক জড়িত ছিলেন এবং এটি সেই যুগের সর্বশ্রেষ্ঠ প্রকৌশল অর্জনগুলোর একটি বলে বিবেচিত হতো। কলকাতাকে উত্তরবঙ্গ ও আসামের সাথে সংযোগকারী রেলপথ বহনের জন্য সেতুটি নকশা করা হয়েছিল। **যুদ্ধের ক্ষতি ও মেরামত** [১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ](https://en.wikipedia.org/wiki/Bangladesh_Liberation_War)-এর সময় পাকিস্তানি সেনাবাহিনী যোগাযোগ ও পরিবহন লাইন বিচ্ছিন্ন করতে সেতুর দুটি স্প্যান বোমা মেরে ধ্বংস করে। ক্ষতিগ্রস্ত স্প্যানগুলো পরে ভিন্ন ধরনের ইস্পাত কাঠামো দিয়ে মেরামত করা হয়, যা আজও দেখা যায় — মেরামত করা অংশগুলো মূল স্প্যান থেকে স্পষ্টভাবে আলাদা দেখায়, যুদ্ধের একটি নীরব স্মারক হিসেবে কাজ করে। এই যুদ্ধের ক্ষতি সেতুটিকে শুধু একটি প্রকৌশল স্মারক নয়, বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রতীকও করে তুলেছে। **আপনি যা দেখবেন** নদীর তীর থেকে সেতুটি একটি অত্যাশ্চর্য দৃশ্য। প্রশস্ত পদ্মা নদীর উপর বিস্তৃত এর বিশাল ইস্পাত গার্ডারগুলো একটি নাটকীয় ছবি তৈরি করে, বিশেষ করে সূর্যাস্তের সময় যখন কাঠামোটি আকাশের পটভূমিতে ছায়ামূর্তির মতো দেখায়। সেতুর আশপাশের এলাকায় পাবেন: - উভয় তীর থেকে পদ্মা নদীর প্যানারমিক দৃশ্য - মূল ও মেরামত করা স্প্যানের বৈপরীত্য স্পষ্টভাবে দেখা যায় - সেতুর কাছে একটি রেলওয়ে ইয়ার্ড ও স্টেশন এলাকা - শুষ্ক মৌসুমে হাঁটার জন্য বালুকাময় নদীর তীর - সেতুর নিচে নৌকার কার্যক্রম — ছোট মাছ ধরার নৌকা ও ফেরি

**মীর মশাররফ হোসেন স্মৃতি কেন্দ্র সম্পর্কে** কুষ্টিয়ার মীর মশাররফ হোসেন স্মৃতি কেন্দ্র বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ লেখকের স্মৃতি রক্ষার্থে প্রতিষ্ঠিত। [মীর মশাররফ হোসেন](https://en.wikipedia.org/wiki/Mir_Mosharraf_Hossain) (১৮৪৭-১৯১২) সবচেয়ে বেশি পরিচিত "[বিষাদ সিন্ধু](https://en.wikipedia.org/wiki/Bishad_Sindhu)" রচনার জন্য, যা বাংলা সাহিত্যের প্রথম উল্লেখযোগ্য উপন্যাস হিসেবে বিবেচিত। এই স্মৃতি কেন্দ্রটি কুমারখালী উপজেলার লাহিনীপাড়ায় অবস্থিত, লেখকের পৈতৃক বাড়ির কাছে। **লেখকের উত্তরাধিকার** - মীর মশাররফ হোসেন ছিলেন বাংলা গদ্য কথাসাহিত্যের পথিকৃৎ - "বিষাদ সিন্ধু" ১৮৮৫ থেকে ১৮৯১ সালের মধ্যে তিন খণ্ডে প্রকাশিত হয় - তিনি উপন্যাস, নাটক, প্রবন্ধ এবং আত্মজীবনীসহ ৩০টিরও বেশি বই লিখেছেন - তাঁর রচনায় সামাজিক সংস্কার, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি এবং সাধারণ মানুষের সংগ্রাম তুলে ধরা হয়েছে - তিনি ঊনবিংশ শতাব্দীর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মুসলিম বাঙালি লেখকদের একজন হিসেবে সম্মানিত **স্মৃতি কেন্দ্র চত্বর** - লেখকের উত্তরাধিকার সংরক্ষণ এবং সাহিত্য সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য এই স্মৃতি কেন্দ্রটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে - এখানে পাণ্ডুলিপি, আলোকচিত্র এবং ব্যক্তিগত সামগ্রী সংবলিত একটি ছোট জাদুঘর রয়েছে - আশপাশের এলাকা সেই গ্রামীণ বাংলার প্রতিফলন যা তাঁর লেখার অনুপ্রেরণা ছিল - কমপ্লেক্সের মধ্যে একটি পাঠাগার রয়েছে যেখানে তাঁর প্রকাশিত রচনা এবং সম্পর্কিত সাহিত্য সমালোচনা সংরক্ষিত আছে - তাঁর জন্ম ও মৃত্যু বার্ষিকীতে নিয়মিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং সাহিত্য সভার আয়োজন করা হয় **ঐতিহাসিক গুরুত্ব** স্মৃতি কেন্দ্রটি কুষ্টিয়ার সাহিত্যিক ভূখণ্ডের কেন্দ্রে অবস্থিত। কুষ্টিয়া জেলা অনেক প্রখ্যাত লেখক ও চিন্তাবিদ জন্ম দিয়েছে এবং মীর মশাররফ হোসেন তাঁদের মধ্যে বিশেষ স্থান দখল করে আছেন। তাঁর পৈতৃক বাড়ি এবং আশপাশের গ্রাম ঊনবিংশ শতাব্দীর গ্রামীণ বাংলার একটি চিত্র তুলে ধরে। এই স্মৃতি কেন্দ্র পরিদর্শন করলে আপনি বুঝতে পারবেন এই অঞ্চলের সংস্কৃতি ও জীবনযাত্রায় সাহিত্য কতটা গভীরভাবে জড়িয়ে আছে।

**বাউল আখড়া / লালন আখড়া সম্পর্কে** বাউল আখড়া, যা লালন আখড়া নামেও পরিচিত, কুষ্টিয়ার বাউল সম্প্রদায়ের আধ্যাত্মিক ও সাংস্কৃতিক মিলনস্থল। ছেউড়িয়ায় [ফকির লালন শাহের মাজারের](/bn/tourist-places/lalon-shahs-shrine) কাছে অবস্থিত এই আখড়া (আধ্যাত্মিক সাধনা ও সম্প্রদায়িক সমাবেশের স্থান) হলো যেখানে বাউল সাধকরা একত্রিত হন গান গাইতে, ধ্যান করতে এবং বাউল ঐতিহ্য বাঁচিয়ে রাখতে। এটি বাংলাদেশে বাউল দর্শন ও সংগীতের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রগুলোর একটি। **আখড়া কী?** - আখড়া হলো একটি সাম্প্রদায়িক স্থান যেখানে বাউল ফকির ও ভক্তরা বাস করেন, সাধনা করেন এবং পরিবেশনা করেন - এটি বাউল সম্প্রদায়ের আবাসিক ও আধ্যাত্মিক কেন্দ্র উভয়ই - আখড়া ঐতিহ্যগতভাবে উন্মুক্ত স্থান যেখানে যে কেউ আসতে পারেন শুনতে, শিখতে ও অংশ নিতে - এগুলো আধ্যাত্মিক সমতার স্থান — জাত, ধর্ম বা সামাজিক মর্যাদার ভিত্তিতে কোনো বৈষম্য নেই - "আখড়া" শব্দটি আধ্যাত্মিক সাধকদের অনুশীলন ক্ষেত্রের ধারণা থেকে এসেছে **বাউল ঐতিহ্য** - বাউলরা বাংলার রহস্যময় চারণ গায়ক — তারা সংগীত ও গানের মাধ্যমে আধ্যাত্মিক দর্শন প্রকাশ করেন - বাউল ঐতিহ্য সুফিবাদ, বৈষ্ণববাদ এবং লোক বৌদ্ধধর্মের উপাদান মিশ্রিত করে - [ইউনেস্কো](https://ich.unesco.org/en/RL/baul-songs-00107) ২০০৫ সালে বাউল ঐতিহ্যকে "মানবতার মৌখিক ও অধরা ঐতিহ্যের শ্রেষ্ঠ নিদর্শন" হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে - বাউল দর্শন সংগঠিত ধর্মকে প্রত্যাখ্যান করে এবং "মনের মানুষ" (অন্তরের ঈশ্বর) এর উপর মনোনিবেশ করে - লালন শাহের প্রভাবের কারণে কুষ্টিয়াকে বাউল সংস্কৃতির প্রাণকেন্দ্র হিসেবে বিবেচনা করা হয় **আজকের আখড়া** - লালনের মাজারের কাছের এই আখড়া একটি জীবন্ত সাংস্কৃতিক স্থান, শুধু জাদুঘর বা স্মৃতিস্তম্ভ নয় - আবাসিক বাউল সাধকরা সারা বছর এখানে থাকেন, সংগীত ও আধ্যাত্মিক সাধনা অনুশীলন করেন - দর্শনার্থীরা সবচেয়ে খাঁটি পরিবেশে সরাসরি বাউল গান শুনতে পারেন - পরিবেশ অনানুষ্ঠানিক ও স্বাগতপূর্ণ — বাউলরা সকলের প্রতি তাদের উদারতার জন্য পরিচিত - বাৎসরিক লালন উৎসবের সময় (বাংলা চৈত্র মাসের পূর্ণিমায়) আখড়াটি হাজার হাজার বাউল ও দর্শনার্থীদের বিশাল সাংস্কৃতিক সমাবেশের কেন্দ্র হয়ে ওঠে

কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) ক্যাম্পাস বাংলাদেশের সবচেয়ে সুন্দর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসগুলোর একটি। কুষ্টিয়া-ঝিনাইদহ মহাসড়কের পাশে ১৭৫ একর জুড়ে বিস্তৃত এই সবুজ, প্রশস্ত ক্যাম্পাসটি প্রকৃতি উপভোগ, শান্ত হাঁটাচলা বা একটি বড় বাংলাদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণবন্ত শক্তি অনুভব করতে চাওয়া দর্শনার্থীদের জন্য একটি জনপ্রিয় স্থান। **একটি সবুজ মরূদ্যান** ক্যাম্পাসটি বড় গাছ, সুসজ্জিত বাগান, ফুলের গাছ ও প্রশস্ত খোলা সবুজ জায়গায় ভরা। গাছে ঢাকা ক্যাম্পাসের রাস্তায় হাঁটা বা সাইকেল চালানো সতেজ অনুভূতি দেয়, বিশেষ করে শীতল মাসগুলোতে। ক্যাম্পাসের বেশ কয়েকটি ছোট পুকুর ও জলাশয় প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বাড়ায়, পাখি আকর্ষণ করে এবং ফটোগ্রাফির জন্য চমৎকার স্থান তৈরি করে। **ক্যাম্পাসের স্থাপত্য** ১৯৭৯ সালে প্রতিষ্ঠিত, [ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়](https://en.wikipedia.org/wiki/Islamic_University,_Bangladesh) আধুনিক একাডেমিক ভবন, গবেষণা কেন্দ্র ও আবাসিক হল নিয়ে একটি বড় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত হয়েছে। কেন্দ্রীয় মসজিদটি চমৎকার স্থাপত্যের নিদর্শন এবং ক্যাম্পাসের অন্যতম আকর্ষণ। প্রশাসনিক ভবন ও লাইব্রেরিও তাদের নকশার জন্য দেখার মতো। **শিক্ষার্থী জীবন ও পরিবেশ** নিয়মিত একাডেমিক সেশনে ভ্রমণ করলে বাংলাদেশের প্রাণবন্ত শিক্ষার্থী জীবন দেখার সুযোগ পাবেন। ক্লাসের মধ্যে হেঁটে যাওয়া শিক্ষার্থী, লনে দলবদ্ধ আড্ডা এবং চায়ের স্টলে জমায়েত একটি প্রাণবন্ত পরিবেশ তৈরি করে। ক্যাম্পাসে সারা বছর বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, বিতর্ক ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আয়োজিত হয়। **সূর্যাস্ত পয়েন্ট** ক্যাম্পাসের গোপন রত্নগুলোর একটি হলো পশ্চিম দিকে সীমানার কাছ থেকে সূর্যাস্তের দৃশ্য। কুষ্টিয়ার সমতল ভূমি আকাশের প্রশস্ত, বাধাহীন দৃশ্য দেয়, যা এখানকার সূর্যাস্তকে বিশেষভাবে সুন্দর করে তোলে। অনেক স্থানীয় মানুষ ও শিক্ষার্থী সন্ধ্যায় শুধু রঙ বদলানো দেখতে এখানে আসেন।